উইঘুর মুসলমানদের অবৈধভাবে কারাগারে আটকে রেখে গণহত্যা করছে চীনের উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সরকার।

প্রকাশিত: ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০১৯

উইঘুর মুসলমানদের অবৈধভাবে কারাগারে আটকে রেখে গণহত্যা করছে চীনের উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সরকার।

উইঘুর মুসলমানদের অবৈধভাবে কারাগারে আটকে রেখে গণহত্যা করছে চীনের উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সরকার। উইঘুরদের ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা যেন পৌরাণিক কাহিনীর সেই ‘বয়েলিং ফ্রগের’ মতো। যেখানে বলা হয়েছে- তপ্ত পানিতে ব্যাঙ রাখলে সেটি তাৎক্ষণিক লাফ দিয়ে উঠে আসবে। কিন্তু সেটিকে বুঝতে না দিয়ে উষ্ণ পানিতে রেখে আস্তে আস্তে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে পরিণতি থেকে সে আর বেরিয়ে আসতে না পারে। সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরাকে এমনই ভয়াবহ তথ্য জানিয়েছেন মানবাধিকার সংস্থা তুর্কিস্তান ন্যাশনাল এ্যাওয়াকেনিং মুভমেন্টের পরিচালক কেইল ওলবার্ট।

উইঘুর মুসলমানদের অনির্দিষ্টকালের জন্য অবৈধভাবে বন্দি রাখার কথা ব্যক্ত করে এ মানবাধিকার কর্মী বলেন, উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সন্ত্রাসী চীনারা যদি দিনে ১০ হাজার উইঘুরকে হত্যা করে, তবে তা বিশ্ববাসীর নজরে চলে আসবে। কিন্তু প্রত্যেককে যদি কারাগারে আটক রাখে, প্রাকৃতিকভাবে তারা মৃত্যুবরণ করেন, তা বিশ্ববাসীর চোখ তা এড়িয়ে যাবে।

কেইল ওলবার্ট বলেন, উইঘুর মুসলমানদের নাই করে দিতে এভাবেই নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাচ্ছে উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সন্ত্রাসী চীন সরকার।

প্রথমে বন্দিশিবির থাকার কথা অস্বীকার করেছিল চীন। এরপর বন্দিরাখার নীতিকে দেশটি এই বলে স্বাীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করেছে যে, তাদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। মুসলমানরা যাতে নীতি থেকে সরে আসেন এমন শিক্ষা দিতেই তারা এই নীতি অবলম্বন করেছ।

২০০৯ সালে জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে দাঙ্গায় শত শত লোক নিহত হয়েছেন। উইঘুর মুসলমানদের প্রতি উগ্র বৌদ্ধপন্থী চীনারা যে নীতি অবলম্বন করছে, তাকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছে আমেরিকা।

সুত্র: আল জাজিরা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ