ম্যাঁক্রনের মগজ অকেজো কিনা; পরীক্ষা করা দরকার: এরদোগান

প্রকাশিত: ৬:৪৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১, ২০১৯

ম্যাঁক্রনের মগজ অকেজো কিনা; পরীক্ষা করা দরকার: এরদোগান

হ্যালো বাংলাদেশ নিউজঃউত্তর সিরিয়ায় তুরস্কের অভিযান নিয়ে শুক্রবারও ন্যাটোতে বিতর্ক হয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রনের মগজ অকেজো হয়ে পড়েছে কিনা; তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে দাবি করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ম্যাঁক্রনের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। এরদোগান আরও দাবি করেন, ম্যাক্রন অনভিজ্ঞ। তিনি জানেন না– সন্ত্রাস কাকে বলে।

সিরিয়ায় তুরস্কের অভিযান নিয়ে ম্যাঁক্রনের সমালোচনায় অসুস্থতা ও হালকা অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটেছে বলেও জানান তুরস্কের এই নেতা।

তুরস্ককে ন্যাটো থেকে বহিষ্কারে চেষ্টা নিয়ে ম্যাঁক্রনকে হুশিয়ারি করে বলেন, এটা ফরাসি প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব না। ন্যাটোতে এমন কোনো বিধান নেই যে সংস্থাটির একজন সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে।

ইকনোমিস্ট সাময়িকীকে দেয়া ম্যাক্রনের এক সাক্ষাতকারকে কেন্দ্র করে এই দুই ন্যাটো মিত্রর মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়েছে।

গত ৯ অক্টোবরে কুর্দিশ অঞ্চলে তুর্কির উন্মক্ত অীভযান নিয়ে ন্যাটো মিত্রদের সমন্বয়ের অভাবের কথা উল্লেখ করে ম্যাঁক্রন বলেন, আমার আশঙ্কা, ন্যাটোর মগজ অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সিরিয়ায় অভিযানে তুরস্ককে সবুজ সংকেত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এতে ব্যাপক সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

এছাড়া রাশিয়া ও সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদের অবস্থান শক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

বুধবার ন্যাটো নেতাদের মূল বৈঠকের আগে মঙ্গলবার লন্ডনের ডাউনিং স্ট্রিটে এরদোগানের সঙ্গে বসবেন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিসহ ইউরোপীয় নেতারা।

এসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লন্ডনে উপস্থিত থাকলেও তিনি ওই বৈঠকে থাকবেন না বলেই ধারনা করা হচ্ছে।

বৈঠকের আগে এরদোগান বলেন, তুরস্ক থেকে ম্যাঁক্রনকে এ বিষয়ে আমি বলেছি। ন্যাটোর সঙ্গেও আলোচনা করবো। কাজেই আপনার মগজ অকার্যকর হয়ে পড়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখবেন।

ন্যাটোতে তুরস্ক থাকবে কিংবা বহিষ্কার হবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করা ম্যাঁক্রনের দায়িত্ব না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তুরস্কের এই নেতা বলেন, সিরিয়া থেকে যেসব হুমকির মুখোমুখি আমরা হচ্ছি, বিভিন্ন সময় তাকে সেই ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি তা কিছুতেই বুঝতে চাচ্ছেন না। বিশ্বাস করুন, ম্যাঁক্রন খুবই অনভিজ্ঞ। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই কী, তা তিনি বোঝেন না। যে কারণে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন পুরো ফ্রান্সকে গ্রাস করে ফেলছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিজের নাগরিকদেরই অধিকার আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ