ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী পাচ ফল

প্রকাশিত: ২:২৮ অপরাহ্ণ, মে ২০, ২০২০

ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী পাচ ফল

মোঃ আমির আলী

ডায়াবেটিস রোগ এমন একটি রোগ যা কখনও নিরাময়যোগ্য নয় কিন্তু নিয়ন্ত্রনযোগ্য। বর্তমান বিশ্বের খুবই পরিচিত ও জটিল রোগ হলো ডায়বেটিস। বৈশ্বিক এই স্বাস্থ্য সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধে দরকার জনসচেতনতা এবং জনসম্পৃক্ততা।

ডায়বেটিস এমন একটি রোগ যার কারণে দেহের গুরুত্বপূর্ণ্ অঙ্গের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেয়ে হার্ট্ অ্যাটাক, কিডনি ফেইলিউর , অন্ধ হয়ে যাওয়া, পায়ে পচন, এমনকি পা কেটে ফেলা পর্যন্ত লাগতে পারে।

ডায়বেটিস হলে অনেকেই জানেনা বা বুঝতে পারেনা কোন ধরণের খাবার খাবে। খাদ্যাভাস নিয়ন্ত্রন ডায়বেটিস রোগীদের জন্য জরুরি একটি বিষয়। ডায়াবেটিস রোগীদের অনেক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়।

ডায়াবেটিস রোগ হলে রোগী কোন ধরনের ফলমূল খেতে পারবে তা অনেকেই বুঝতে পারে না। ফলমূল গ্রহনের ক্ষেত্রে নানান রকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব কাজ করে ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে যে কোন ফলটা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর কোন ফলটা খেলে ডায়বেটিস বাড়িয়ে দেবে।

১.পেয়ারা
ডায়বেটিস রোগীদের একটি বড় সমস্যা হল কোষ্ঠকাঠিন্য। পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। পেয়ারা রোগীকে টাইপ-২ ডায়বেটিসের হাত থেকে রক্ষা করে।

২.পেঁপে
ডায়বেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারি ফল। কারণ পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট খুবই উপকারি। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে রোগীর হার্ট্, নার্ভের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। নিয়মিত পেঁপে খেলে তা কিছুটা রুখে দেওয়া যায়।

৩.আপেল
আপেল ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে দারুন কাজ করে থাকে। কারণ আপেলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। আপেলে থাকা ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা সঠিক রাখে। আবার আপেলে থাকা পেকটিন ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করে থাকে।

৪.জাম
ডায়বেটিস রোগীদের জন্য আর একটি জরুরি ও উপকারি ফল হচ্ছে জাম। জামের ভিতর রয়েছে একধরনরে বিশেষ উপাদান যা খাবারের স্টাচর্কে ভেঙে দেয়। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। সুগার রোগীদের ঘনঘন প্রসাব ও তৃষ্ণার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয় জাম।

৫.বেরি
ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে আর একটি গুরুত্বপূন্য ফল হচ্ছে বেরি ফল। বেরি ফলের মধ্যে থাকা উপাদান ইনসুলিন ক্ষরণে সাহায্য করে দেহে ইনসুলিন ক্ষরণ স্বাভাবিক রাখে।

সূত্র: আয়ুর্বেদিক টিপস

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ