মানুষের মনোবল ভেঙে পড়ে, এরকম লেখাগুলো কেনো যে লেখা হয় বুঝলাম না

প্রকাশিত: ৫:৪৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২০

মানুষের মনোবল ভেঙে পড়ে, এরকম লেখাগুলো কেনো যে লেখা হয় বুঝলাম না
আবুল হাই মশাহীদ
লেখক সাংবাদিক,
করোনা ভাইরাস নিয়ে লেখাগুলো এতোদিন মনোযোগ সহকারে পড়েছি।
মানুষের মনোবল ভেঙে পড়ে, এরকম লেখাগুলো কেনো যে লেখা হয় বুঝলাম না।
বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটি মহা সংকট সৃষ্টি করেছে সত্য। এটা প্রতিরোধের জন্য যা করার তা তড়িৎ গতিতে করা একান্ত প্রয়োজন, এটাও সত্য।
কিন্তু মানুষের মনে অহেতুক ভয় পাইয়ে দেয়া কতোটুকু ভালো কাজ বলুন!
আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার ৫% ও নয়, মোট জনসংখ্যায় তা কত পার্সেন্ট হয় দেখুন।
এটা একটা বৈশ্বিক সংকট অবশ্যই। গোটা  মানবজাতির জন্য হুমকি। তবে সতর্কতা আর সাহস না যুগিয়ে ভীতিকর ছবি আর মনোবল ভেঙে পড়ে, এরকম পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
অতীত মহামারীগুলোর ইতিহাস পড়ুন। কলেরা, বসন্ত, এলে বাংলার একেকটা গ্রাম খালি হয়ে যেতো। চিকিৎসাতো ছিলোইনা, ছিলো অপ চিকিৎসা।
করোনারতো চিকিৎসা আছে, আছে প্রতিরোধের উপায়। ওগুলো নিয়ে ভাবুন, মানুষকে বুঝান।
আমি ভাই, আমার দূ’ছেলেকে নিয়ে আজ সাবান-পানি দিয়ে সমস্ত ঘর পরিষ্কার করেছি। হ্যান্ড সেনিটাইজার দিয়ে ঘরের ইলেকট্রিক সুইচ, মোবাইল, কম্পিউটারের কীবোর্ড, মাউস, চোখে দেয়ার চশমা, মোটরবাইকের স্টিয়ারিং, ক্লাস কেবল, চাবি,কলম ও দরজার হাতল ওয়াশ করেছি। বাথরুমের একটা বেশিনে সাবান রেখেছি বাইরে থেকে এসে হাত ধুইবার জন্য। বাইরে যাবার আগে হ্যান্ড সেনিটাইজার হাতে মেখে নেবার জন্য ৪০ টাকা মূল্যের দুটো সেনিটাইজার ঘরে আছে।
মাস্কগুলো রোজ একবার ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করি।
যেখানে যাই, সুযোগ পেলেই হাত ধুই। বারবার গরম পানি খাই। ঠান্ডা লাগাতে যাইনা, ঠান্ডা কিছু খাইনা। জনসমাগম এড়িয়ে চলি। মানুষের সাথে হাত মিলাইনা, বুক মিলাইনা, শুধু সালাম দিই।
নামাজের জন্য অজু করলে মনে হয়, করোনার সব পথতো ভিজানো হয়ে গেলো।
এরপর আল্লাহ ভরসা।
আমার পরিচিতজন, এলাকা ও দেশবাসী সকল সতর্ক থাকুন, ভালো থাকুন, সবার জন্য দোয়া করুন। সকলকে সতর্ক করুন।

আচ্ছালামু আলাইকুম।