যারা সামর্থ্যবান তারা যদি এই দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসেন তবে কিছুটা হলেও দেশের সাধারণ মানুষের সমস্যা লাঘব হবে

প্রকাশিত: ৮:৫৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০২০

যারা সামর্থ্যবান তারা যদি এই দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসেন তবে কিছুটা হলেও দেশের সাধারণ মানুষের সমস্যা লাঘব হবে

আবুল ফয়েজ লন্ডন থেকেঃ

খেটে খাওয়া মানুষের এখন দুঃখের ষেশ নাই, বিশ্ব পরিমণ্ডলে আজ এক অঘোষিত আতৎক বিরাজ করছে প্রতি রাষ্ট্রের সরকার নিজ দেশের সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, উন্নত দেশ গোলিতে নাগরিকরা সরকারের কাছে থেকে জীবন যাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা পাচ্ছে ।
আমাদের বাংলা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন একটা উন্নত নয়,
এদিকে আমাদের দেশের আয়তনের তুলনায় মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, সরকার দেশের সাধারন মানুষ দের কে কি বাভে এই করোনাভাইরাস নামক মহামারিথেকে রক্ষা করবে এ নিয়ে অনেকটা হতাশা গ্রন্থ ,
আল্লাহ্ আমাদের এই গরীব দেশের সাধারন মানুষ দের কে রক্ষা করবেন।
একজন সিএনজি চালক এর বর্তমান জীবন এর গল্প,
করোনা ভাইরাস প্রায় স্থবির করে ফেলেছে জনজীবন, ঢাকা শহরকে চেনাই যায় না, প্রায় কোলাহলশূন্য একটি রাজধানী।
আজ খুব সকালে বাসার একেবারে কাছে কাঁচা বাজার করার জন্য আমার হাজব্যান্ড সহ বের হলাম, খুব সকালে এই কারণে যে , সকাল সকাল গেলে কিছুটা ভালো জিনিসপত্র পাওয়া যায়। বাসার নিচে নেমে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে, হাত দিয়ে এক রিকশাচালক-কে ইশারা করলাম বাজারে যাওয়ার জন্য, দেখি রিকশার পাশে দাঁড়ানো এক সিএনজি চালক দ্রুত আমার সামনে এসে দাঁড়ালো।
তাঁকে বললাম ” ভাই আমি তো রিক্সাটাকে ডেকেছিলাম আপনাকে নয়, তাছাড়া যাবো তো একেবারে কাছে, রিক্সা ভাড়া মাত্র বিশ টাকা”।
রিক্সা ভাড়া বলার উদ্দেশ্য হলো ওনাকে বোঝানোর জন্য যে, দূরত্বটা বেশি নয়।
উনি তার উত্তরে বললেন “আপা আমাকে রিক্সার ভাড়াটাই দিয়েন, জীবন তো আর চলে না”।
যেতে যেতে বললেন; যাত্রী একেবারে কমে গেছে, সিএনজি মালিকের হিসেবের টাকাটাই উঠে না, ছেলে মেয়ে নিয়ে কোথায় যাবো ? কি খাবো ? দুশ্চিন্তায় ঘুম আসে না।
গন্তব্যে নেমে, ভাড়া দেওয়ার সময় বিশ টাকা আর দিতে পারলাম না, তার চেয়ে বেশি ভাড়া দিলাম বটে কিন্তু মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ওনার মতো মানুষ কতটা না কষ্টে আছে, কার খবর কে রাখে ?
দেশের অনেক কর্মজীবী মানুষ তো প্রতিদিনের আয়ের উপর নির্ভরশীল, তাদের কি হবে ?
সরকারের একার পক্ষে তো সব দেখভাল করা সম্ভব নয়, তাই যারা সামর্থ্যবান তারা যদি বন্যা দুর্যোগ বা অন্যান্য সময়ের মতো এই দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসেন তবে কিছুটা হলেও দেশের সাধারণ মানুষের সমস্যা লাঘব হতো।
মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে এই প্রার্থনা করি,

দেশের সাধারণ মানুষ সহ সকলকে আপনি এই কঠিন সংক্রামক ব্যাধি থেকে মুক্তি দিন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

faster