সিলেটের বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীন

প্রকাশিত: ৩:২৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৮, ২০২০

সিলেটের বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীন

নিউজ ডেস্কঃসিলেটের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। প্রতি বছর কোরবানির ঈদের পর বাজারে নিত্যপন্যের দাম কমলেও এবার তা লাগামহীনভাবে বেড়েছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা সরবরাহ কম হওয়াকে দায়ী করছেন।

সিলেট নগরের কয়েকটি বাজার ঘুরে জানা যায়, বাজারে সবজির প্রচুর সরবরাহ রয়েছে। তবে দাম চড়া। বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৮০ টাকা থেকে ২শ টাকার নিচে মিলছে না। প্রতি কেজি কাঁকরোল ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঝিঙা ও চিচিঙা ৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, আলু ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে জালি লাউ আকারভেদে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মদিনা মার্কেটে সবজি কিনতে আসা জিয়াউর রহমান বলেন, করোনার কারণে আয় অনেক কমে গেছে। একদিকে আমাদের আয় কমেছে, অন্যদিকে পণ্যের দাম চড়া। ফলে আমরা বড় সমস্যার মধ্যে আছি।

ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে বাজারে বেড়েছে মসলার চাহিদা। বাজারে বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা ও আমদানি করা পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ও আমদানি করা রসুন মানভেদে প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে ১শ টাকা, হলুদ ১৫০ টাকা থেকে ২শ টাকা, আদা ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা, জিরা ৩শ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা, দারুচিনি ৩৮০ টাকা থেকে ৪৬০ টাকা, লবঙ্গ ৭৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকা, এলাচ ২ হাজার ৭শ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা, শুকনো মরিচ ১৮০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা, তেজপাতা ১শ টাকা থেকে ১২০ টাকা ও ধনেপাতা ১শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল। প্রতি কেজি জিরা সিদ্ধ ৬০ টাকা, মিনেিকট ৫২ টাকা, কাজললতা ৫২ টাকা, কাটারী ৫৭ টাকা, পাইজম ৪৮ টাকা, সুপার মালা ৫০ টাকা ও চিনিগুড়া ১শ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ঈদকে গিয়ে কিছুটা কমেছে মাংসের দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে। তবে ডিমের দাম বেড়েছে। বাজারে প্রতি হালি মুরগির ডিম ৪০ টাকা, হাঁসের ডিম ৪৫ টাকায় বিকি হচ্ছে। এছাড়া চিনি ৬০ টাকা, বড় দানার মসুর ডাল ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, ছোলা ৭০ টাকা, খোলা আটা ৩০ টাকা ও ময়দা ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

  • নগরের রিকাবীবাজারের ব্যবসায়ী আনহার মিয়া বলেন, করোনা ও বন্যায় সরবরাহ কম থাকায় সব পণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছ। শীঘ্রই দাম কমার সম্ভবনা নেই বলে জানান তিনি।