fbpx

সারাদেশে শাটডাউন করার মতো যথেষ্ঠ প্রস্তুতি রয়েছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১২:২০ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২১

সারাদেশে শাটডাউন করার মতো যথেষ্ঠ প্রস্তুতি রয়েছে : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্কঃকরোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউন দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এদিকে কমিটির দেয়া এই সুপারিশকে যৌক্তিক বলে মনে করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি জানান, সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া পরিকল্পনা চলছে। আর শাটডাউনের প্রস্তুতিও আছে সরকারের।

Advertisements

এর আগে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩৮ তম সভা থেকে এই পরামর্শ দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার কোভিড কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মােহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, ভাইরাসের বিস্তার পুরোপুরো নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগে সারা দেশ অন্তত ১৪ দিন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

তবে শুধু জরুরি সেবাই এর আওতামুক্ত থাকবে। আর এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।

সারাদেশে শাটডাউন করার মতো যথেষ্ঠ প্রস্তুতি রয়েছে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলছেন, যেহেতু করোনার সংক্রমণ বাড়ছে, তাই এবারের বিধিনিষেধ মানাতে আরো কঠোর হচ্ছে সরকার। যেকোনো সময় সরকার তা ঘোষণা দেবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয়ভাবেও কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছর প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। পরে তা আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। পরে তা আরও আট দফা বাড়িয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত করা হয়।

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার সংক্রমণে দেশে এখনও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এরই মধ্যে কয়েকটি জেলায় লকডাউন দেওয়া হলেও পরিস্থিতির উন্নতি তো হচ্ছে না বরং দিনকে দিন বেড়েই চলছে এর সংক্রমণ। এমন অবস্থায় সারাদেশে এবার ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
বিজ্ঞপ্তিতে, কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংগ্রহে উপর সর্বাত্মক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। রোগ থেকে পূর্ণ মুক্তির জন্য ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।

Advertisements